দই প্রোবায়োটিক এবং ক্যালসিয়ামের একটি চমৎকার উৎস, যা হজমশক্তি উন্নত করতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে যেকোনো খাবারের মতোই অতিরিক্ত দই খাওয়া শরীরের জন্য সবসময় সুফল বয়ে আনে না। অতিরিক্ত দই গ্রহণের ফলে অনেকের ক্ষেত্রে হজমের সমস্যা, পেট ফাঁপা বা অ্যাসিডিটির মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বা দুগ্ধজাত খাবারে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে দই খাওয়ার ফলে ত্বকে র্যাশ বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা হতে পারে।
পুষ্টিবিদদের মতে, পরিমিত দই খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এক বা দুই কাপ দই অন্তর্ভুক্ত করা স্বাস্থ্যের জন্য আদর্শ। তবে যাদের হাড়ের সমস্যা বা স্থূলতার ঝুঁকি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে দইয়ের ধরন বেছে নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কোনো স্বাস্থ্য জটিলতা থাকলে নিয়মিত দই তালিকাভুক্ত করার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়। সঠিক পরিমাণে দই খেলে তা শরীরকে সতেজ রাখতে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
সূত্র: প্রথম আলো

