খাল খনন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের একটি অংশ ব্যয় না হওয়ায় তা পুনরায় সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই অবশিষ্ট এই অর্থ ফেরত দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
সাধারণত সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষে উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি হিসাবে ফেরত দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এই প্রকল্পের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত বাজেট ও কাজের পরিমাণের বাইরে অবশিষ্ট অর্থ সঠিকভাবে সরকারি ট্রেজারিতে জমা করা হয়েছে, যা সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় নিয়মমাফিক কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সূত্র: রাইজিংবিডি
খাল খননউপজেলা প্রশাসনসরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনাউন্নয়ন প্রকল্পঅর্থ ফেরতবাংলাদেশ সংবাদসরকারি অর্থবাংলাদেশরাজনীতিঅর্থনীতিব্যবসাজাতীয়





