বর্তমান দ্রুতগতির জীবনে মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত সীমানা বা 'পার্সোনাল বাউন্ডারি' নির্ধারণের গুরুত্ব অপরিসীম। নিজের অধিকার ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং তা অন্যের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা কেবল আত্মসম্মানই বাড়ায় না, বরং সম্পর্কের জটিলতাও অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, না বলার ক্ষমতা বা নিজের விருப்பকে প্রাধান্য দেওয়া কোনো অপরাধ নয়। বরং এটি অন্যের সাথে সম্পর্কের একটি ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে। যখন আমরা আমাদের ব্যক্তিগত পরিসর সম্পর্কে সচেতন থাকি, তখন অযাচিত চাপ বা মানসিক ধকল থেকে দূরে থাকা সহজ হয়। এটি কর্মক্ষেত্রে এবং ব্যক্তিগত জীবনে দীর্ঘমেয়াদী সুখ ও কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সূত্র: প্রথম আলো
ব্যক্তিগত সীমানামানসিক প্রশান্তিপার্সোনাল বাউন্ডারিনিজের অধিকারআত্মসচেতনতামানসিক স্বাস্থ্যজীবনধারাআত্মউন্নয়নসম্পর্ক

