সম্প্রতি তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, তুরস্ক, সৌদি আরব এবং পাকিস্তান একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এই উদ্যোগটি ন্যাটোর (NATO) যৌথ নিরাপত্তা নীতি বা ‘সম্মিলিত প্রতিরক্ষা’ (Collective Defence) মডেলকে অনুসরণ করে কার্যকর করা হবে। নতুন এই চুক্তির অধীনে, সদস্য দেশগুলোর কোনো একটির ওপর বিদেশি আক্রমণ হলে তা পুরো জোটের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং জোটবদ্ধভাবে এর জবাব দেওয়া হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। তুরস্কের সামরিক সক্ষমতা, পাকিস্তানের পারমাণবিক শক্তি এবং সৌদি আরবের ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের সমন্বয় এই জোটকে শক্তিশালী ভিত্তি দেবে। তবে এই চুক্তির পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা এবং কৌশলগত প্রয়োগ কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিস্তারিত আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। অঞ্চলভিত্তিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে এটি একটি নতুন মেরুকরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড





