সাম্প্রতিক সময়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ই-সিগারেট বা ভ্যাপিংয়ের প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে একে সাধারণ ধূমপানের বিকল্প এবং কম ক্ষতিকর বা ‘হালাল’ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। তবে তামাকবিরোধী কর্মী ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ই-সিগারেটে থাকা রাসায়নিক উপাদান শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর, যা দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুস ও হৃদরোগের কারণ হতে পারে।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিশেষজ্ঞদের অভিমত হলো, যে বস্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকারক এবং নেশাজাতীয় বৈশিষ্ট্যের অধিকারী, তাকে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বৈধ বা ‘হালাল’ বলার সুযোগ নেই। ধূমপানের মতো ই-সিগারেটও বর্জনীয়। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিকোটিনমুক্ত রাখতে ই-সিগারেটের প্রচার ও বিপণন বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: প্রথম আলো





